Top News

ডেঙ্গু মশা রোখার ৮ উপায় । ডেঙ্গু জ্বরের কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

সেখ মহাঃ সামিম.sms অনলাইন ডেস্ক॥ 



শুধু  করপোরেশন বা মিউনিসিপ্যালিটির ওপর দায়িত্ব দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। মশার বাড়বাড়ন্ত রুখতে এগিয়ে আসতে হবে আপনাকে আমাকে সবাইকেই। আর প্রয়োজন ডেঙ্গু জ্বরের মারাত্মক উপসর্গগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকা। তাহলেই প্রানহানির আশঙ্কা শূন্যে নামিয়ে আনা যেতে পারে। ভরসা দিলেন পেডিয়াট্রিক ক্রিটিকাল কেয়ার স্পেশালিষ্ট ডাক্তার । ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ আছে। এদের প্রত্যেকেরই বাসস্থান মশার শরীরের অন্দরমহল। এই ভাইরাস বহনকারী এডিস ইজিপ্টা মশার বংশ বৃদ্ধি হয় মূলত পরিষ্কার জলে। স্ত্রী মশার শরীরে একবার ডেঙ্গির ভাইরাস প্রবেশ করলে তার পরের প্রজন্মের শরীরেও জীবাণু থেকে যায়। তাই ডেঙ্গি নিশ্চিহ্ণ করতে মশার বংশ ধ্বংস করতেই হবে।


বাড়ির ফুলদানির জমে থাকা জলে মশা ডিম পাড়তে পারে।

ফ্রিজের জমা জল ফেলে দিন।

ফুলের টবে জমা জলেও মশা ডিম পাড়তে পারে।

অনেকেরই বাড়িতে বা বাথরুমে চৌবাচ্চৌচা থাকে। চৌবাচ্চার জলে মশা ডিম পাড়ে।

বৃষ্টির জমা জল ফেলে দিন

বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর সময় ফুলহাতা জামা ও ফুল প্যান্ট পরালে ভালো হয়। স্কুল কতৃপক্ষের এব্যাপারে নজর দেওয়া উচিত।

বাড়িতে মশা নিরোধক ধুপ জ্বালিয়ে রাখুন।

ডেঙ্গির মশা ভোর বেলা থেকে সকাল ৯ টার বিকেল ৫ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত কামড়ায়। এই সময়টা সতর্ক থাকতে হবে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
জনসার্থে প্রচারিত Sk Md Samim.sms

ডেঙ্গু জ্বরের কারণ,
ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে চার ধরনের ভাইরাসজনিত ট্রপিক্যাল বা উষ্ণণ্ডলীয় রোগ। এটি সাধারণত ডেঙ্গু ভাইরাস আক্রান্ত এডিস মশকী দ্বারা ছড়ায়।


ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর। এডিস মশকী এই ভাইরাস বহন করে। আমাদের দেশে বর্ষাকাল থেকে অর্থাৎ জুন-জুলাই মাসে এই জ্বরের বিস্তার বেশি হয়। সারাবিশ্বে বছরে ৪০০ মিলিয়নের মত লোক আক্রান্ত হয়। এখনও কোন টিকা আবিষ্কার হয়নি। তাই প্রতিরোধই উত্তম ব্যবস্থা।

রোগ লক্ষণ:
একজন ডেঙ্গু জ্বরে ব্যক্তির সাধারণত উচ্চ জ্বর হয় অর্থাৎ তাপমাত্রা ১০৪-১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার থেকে বেশি হবে। সাথে নিম্নের লক্ষণগুলোর অন্তত দুটি প্রকাশ পাবে।
তীব্র মাথা ব্যথা
চোখের পিছনের দিকে তীব্র ব্যথা
জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
মাংসপেশী অথবা হাড়ে ব্যথা (এজন্য অন্য নাম: হাড় ভাঙ্গা জ্বর)
হামের মত র‌্যাশ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়
নাক, দাঁতের মাড়ি থেকে অল্প রক্তপাত হতে পারে
রক্তে শ্বেতকণিকার পরিমাণ করে যাবে।
লক্ষণগুলো রোগীর বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। ছোট বাচ্চা ও প্রথমবার আক্রান্তদের থেকে বয়স্ক, শিশু ও দ্বিতীয়বার আক্রান্তদের মাঝে রোগের তীব্রতা বেশি হয়।

জটিলতা:
সাধারণত ৩-৭ দিনের মধ্যেই জ্বরের তাপমাত্রা কমতে থাকে। তবে যদি নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা যায় দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
তীব্র পেট ব্যথা ও ক্রমাগত বমি
ত্বকে লাল দাগ
নাক ও মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে
বমির সাথে রক্ত আসলে
কালো বা আলকাতরার মত পায়খানা হলে
ত্বক ফ্যাকাশে, ঠান্ডা ও স্যাঁতসেতে হলে
শ্বাসকষ্ট হলে।



প্রতিরোধ:
এ রোগের কোন টিকা নেই। তাই প্রতিরোধই ব্যাবস্থা
News Update:
Sk Md Samim sms 

॥প্রতিটি তাজা আপডেট পেতে Facebook Page এ search করুন Sk Md Samim sms এবং Like করুন ॥



Post a Comment

Previous Post Next Post